দোয়ারায়বাজাররে লক্ষীপুর ইউপি চয়োরম্যানরে বরিুদ্ধে অনয়িম ও ব্যক্তি সচ্ছোচারতিার অভযিোগ

দোয়ারাবাজার প্রতনিধি।।  দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ব্যক্তি সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে।জানা যায়, ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে লক্ষীপুর ইউনিয়নের ১,১১০ জন অসহায় হতদরিদ্রের জন্য সরকারি ভাবে জনপ্রতি ১৫ কেজি চালের ভিজিএফ কার্ড আসে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যেক সদস্যদের নিয়ে মিটিং করে রেজোলেশনের মাধ্যমে কার্ড বিতরণের নিয়ম থাকলেও তা না করে ইউপি চেয়ারম্যানের সম্পূর্ণ ব্যক্তি সেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে মনগড়া মতো ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লক্ষীপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোহেল আহমেদ মিন্টু ও ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত তিন বছর ধরে ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল হক কোনো ধরেন মাসিক সভা করছেন না। ৩-৪ মাস পরপর নানান হুমকি ও মানসিক চাপ দিয়ে খালি কাগজে তাদের সাক্ষর নিয়ে পরিষদ পরিচালনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে পূর্বে উপজেলা প্রশাসনের নিকট লিখিত অভিযোগ করেও কোনো ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের সিদ্ধান্তে ভিজিএফ’র কার্ড বিতরণে ০৪ নং ও ০৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা তাদের ওয়ার্ডের তালিকা প্রনয়ণ করে ইউপি সচিবের কাছে জমা দিতে গেলে ইউপি সচিব তাদের তালিকা রাখতে অপারগতা প্রকাশ করেন বলেও তারা অভিযোগ করেন। এদিকে শনিবার দুপুরে উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের চকবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল হকের বিরুদ্ধে ভিজিএফ’র কার্ড বিতরণে অনিয়ম, ব্যক্তি সেচ্ছাচারিতা ও বৈষম্যের অভিযোগ এনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে এলাকাবাসী। ছাত্রলীগ নেতা হুমায়ুন ফরিদ’র পরিচালনায় ও মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ আলীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য খলিলুর রহমান, দোয়ারাবাজার উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক প্রভাষক জহিরুল ইসলাম জহির, সমাজকর্মী আতাউর রহমান স্বপন, মোঃ কোরবান আলী সাহেব, হাজী গোলাম শরিফ, মোঃ ইব্রাহিম মোল্লা, মোঃ শাহজাহান মিয়া, খোরশেদ আলম, আব্দুল মন্নান, মুক্তিযুদ্ধা মোঃ মহরম আলী, ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন, নুর মোহাম্মদ, ইয়াকুব আল তামিম, মোঃ জামাল হোসেন, মোঃ আলী হোসেন প্রমুখ। প্রতিবাদ সমাবেশের পরবর্তীতে ইউপি সদস্য সোহেল আহমেদ মিন্টু ও ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের ব্যক্তিগত অর্থায়নে ১২০ জন হত দরিদ্রদের মধ্যে জন প্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।এব্যাপারে লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল হক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনিত এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বায়োনাট। নিয়ম অনুযায়ী ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপরন্তু অভিযোগ কারী ওই দুই ইউপি সদস্যকে ইউনিয়ন পরিষদের কোনো মিটিংয়ে উপস্থিত পাওয়া যায়না। আমাকে জনসাধারণের নিকট হেয়প্রতিপন্ন করতে এসব মনগড়া অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’