দীর্ঘ নয় বছর পর আদালতের রায়ে জায়গায় ন্যায়বিচার পেলেন আব্দুল গাফফার খান

সুরমা ভিউ।।  দীর্ঘ নয় বছর বিরোধী পক্ষের সাথে মামলা চলার পর আদালতের রায়ে জায়গায় ন্যায়বিচার পেলেন কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণ বাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গাফফার খান।

কুলাউড়া উপজেলা আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন আব্দুল গাফফার খানের পক্ষে গত ২৮ এপ্রিল এ আদেশ দেন (আদেশ নং ৭০)।

লিখিত আদেশে মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, নবীনগর মৌজায় আব্দুল বারিক ও আতিক মিয়ার সাথে দলিল নং ৪৫৮৯, এস.এ নং ২৯৫৫ এর ০.১৫ একর জায়গা নিয়ে আব্দুল গাফফার খানের সাথে ২৪/০৬/২০১০ সাল থেকে বিবাদ চলে আসছিল।

বাদীপক্ষ দাবি করেন, ২৫/০৭/১৯৭২ সালে আব্দুল লতিফ উরফে মনু মিয়ার নিকট থেকে খরিদকৃত ০.১৫ একর জায়গার (দলিল নং ৪৫৮৯)
এস.এ নং ২৯৫৫ দাগ এর বদলে ভুলক্রমে ২৯১২ উঠে যায়।

বিচারক বলেন, আশেপাশের জায়গার দাগ ও মালিকানা পর্যালোচনা করে দেখা যায়- ২৯১২ দাগের জায়গা মূলত ২৯৫৫ দাগের জায়গাকে নির্দেশ করে। তাই দাগ যাইহোক উক্ত ২৯৫৫ দাগের ০.১৫ একর জায়গায় বিবাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞা প্রতিকার পেতে কোন বাধা নেই।

তিনি বলেন, “অত্র মোকদ্দমাটি সকল বিবাদীপক্ষের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে বিনা খরচায় ডিক্রি করা হলো। বিবাদীপক্ষ বাদীপক্ষকে তফশীলকৃত ০.১৫ একর জায়গার ভোগ দখলে কোনরূপ বাধা সৃষ্টি হতে বা আইনানুগ পন্থা ব্যতিরেক বেদখল করা হতে বিরত থাকতে বলা হলো।”

আব্দুল গাফফার খান বলেন, দীর্ঘ দিন পর সেই কাঙ্খিত রায় আমাদের পক্ষে এসেছে। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। বিজ্ঞ আদালতের রায়টি আমাদের জায়গায় সাইনবোর্ড আকারে লাগিয়ে দিয়েছি। আমরা আমাদের ন্যায় এবং প্রাপ্য জায়গার জন্য লড়েছি তা এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। সত্য কোনদিন চাপা তাকে না। এই রায় পেতে আমাদের কে যারা সাহায্য করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।