জৈন্তাপুরে হাজী বেশে ধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতার

মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি-  সিলেটের জৈন্তাপুরে অভিনব কায়দায় ধর্ষন মামলার আসামীকে গ্রেফতার করছে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ।
সিলেটের জৈন্তাপুরে চাচা কর্তৃক ভাতীজি অপহরনে করে ধর্ষনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার পলাতক আসামী দরবস্ত ইউনয়নের শুকইনপুর গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে নিকট আত্মীয় ভাতীজিকে অপহরন করে নিয়ে দূরবর্তী গ্রামের এক সিএনজি চালকের বাড়ীতে আটকে রেখে একাধিক বার ধর্ষন করে। এঘটনায় সামাজিক ভাবে ধর্ষীতার পিতা বিচার চাইলে ন্যায় বিচার পাননি। অপরদিকে ধর্ষনের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং ধর্ষনের আলামত নষ্ট করেত বিচারের নামে স্থানীয় ইউপি সদস্য সময় ক্ষেপন করেন। অবশেষে ন্যায় বিচার না পেয়ে ভিকটিম বাদী হয়ে ঘটনার ২মাস পর গত ১৭ জুলাই জৈন্তাপুর মডেল থানায় ধর্ষক রেজওয়ানকে প্রধান আসামী করে লিখিত অভিযোগ করে। পুলিশ ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পায় এবং ধর্ষক রেজওয়ার ইতোপূর্বে এধরনের একাধিক ঘটনা করে কারাভোগ করেছে বলে তথ্য বেরিয়ে আসে। কারাভোগ করে বের হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে সে নতুন করে নিকত্মীয় ভাতিজিকে অপহরন করে আটকে রেখে ধর্ষন ঘটনা ঘটায়। থানা পুলিশ ১৮ জুলাই ভিটটিমের লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসাবে গন্য করে যাহার নং ৮/১০৪। মামলার প্রকৃতরহস্য অনুসন্ধান ও ধর্ষক রেজওয়ানকে আটকের জন্য পুলিশের একাধিক টিম উপজেলা ভিবিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতিটের পেয়ে চুতুর নারী লোভী ধর্ষক পালিয়ে যায়। এদিকে পুলিশ ঘটনার প্রকৃত রহস্য অনুসন্ধান করতে মামলটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে গ্রহন করে ধর্ষককে আটক করতে মরিয়া হয়ে উঠে। অবশেষে পুলিশ আসামী গ্রেফতার করেত ছন্দবেশ ধারন করে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাঘুরি করতে থাকে। একপর্যায় জৈন্তাপুর মডেল থানার চৌকাশ পুলিশ অফিসার এস.আই আজিজুর রহমান হাজী বেশ ধারন করে ১৭ আগষ্ট শনিবার দুপুর ৩টায় উপজেলার ফতেপুর (হরিপুর) ইউনিয়নের বালিপাঁড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক রেজওয়ান মিয়া (২৫) কে আটক করে জৈন্তাপুরে থানায় নিয়ে আসে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক আটকের বিষয় নিশ্চিত করে প্রতিবেদককে জানান, ধর্ষক রেজওয়ান ইতোপূর্বে এধরনের ঘটনা করে কারা বরণ করেছে। কারবরন করে বের হয়েই সে আবার এই ধর্ষনের ঘটনাটি করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষনের ঘটনা স্বীকার করে। আগামীকাল রবিবার থাকে আদালতে প্রেরণ করব এবং রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হবে।