৬দফা দাবিতে সুনামগঞ্জে হেযবুত তওহীদ এর সংবাদ সম্মেলন

একে কুদরত পাশা, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

সীমাহীন অপপ্রচার, হত্যার হুমকি, হামলার উস্কানি ও ফতোয়া দিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার সহ ৬দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে হেযবুত তওহীদ। সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে শনিবার সকাল এগারোটায় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে হেযবুত তওহীদের সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সিলেট বিভাগের সভাপতি মো. আজমল হোসাইন।

হেযবুত তওহীদের সভাপতি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, ‘১৯৯৫ সালে করটিয়ার দাউদ মহলে হেযবুত তওহীদ প্রতিষ্ঠা থেকেই এ আন্দোলনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে সেই শ্রেণিটি যারা ইসলামকে তাদের রটি-রুজির মাধ্যম বানিয়ে নিয়েছে এবং যারা অপরাজনীতিতে ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করে এ পর্যন্ত বিভিন্ন জাতিবিনাশী কর্মকা- ঘটিয়েছে। এ শ্রেণিটি জনগণের কাছে হাজারো বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য, গুজব, বানোয়াট বক্তব্য প্রচার করে হেযবুত তওহীদের মতো মহান একটি আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য চেষ্টা করে এসেছে।

শুধু তাই নয়, ধর্মান্ধ জনগোষ্ঠীকে লেলিয়ে দিয়েছে, হত্যা করতে প্ররোচনা দিয়েছে। এ পর্যন্ত তারা আমাদের চারজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছে। বহুজনকে আহত করেছে, বহু বাড়িঘর ভস্মীভূত করেছে, লুটপাট ভাঙচুর চালিয়েছে, বহু সদস্যকে বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে। সম্প্রতি এই শ্রেণিটি আরও ব্যাপক পরিসরে দেশজুড়ে সীমাহীন অপপ্রচার, হত্যার হুমকি, হামলার উস্কানি ও ফতোয়া দিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে গভীরভাবে লিপ্ত হয়েছে।’

হেযবুত তওহীদ আল্লাহ-রসুলের প্রকৃত ইসলাম নিয়ে দাঁড়িয়েছে দাবি করে আন্দোলনটির শীর্ষ নেতা বলেন, ‘ হেযবুত তওহীদ সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে নিঃস্বার্থভাবে অবদান রেখে চলেছে। এ পর্যন্ত লক্ষাধিক জনসভা, সমাবেশ, সেমিনার, আলোচনা অনুষ্ঠান, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, র‌্যালি ইত্যাদি সারা দেশে করেছে। বিরুদ্ধে আমরা আল্লাহর কোর’আন ও শেষ রসুল মোহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ পরিপন্থী একটি কথাও বলিনি। আমরা কেবল ধর্মব্যবসায়ীদের ওইসব বাড়াবাড়ির সমালোচনা করেছি যেগুলো আল্লাহ ও রসুল (সা.) এর আদর্শের পরিপন্থী হওয়া সত্ত্বেও তারা ইসলামের নামে চালিয়ে দিতে চায় এবং তার মাধ্যমে প্রগতির পথকে রুদ্ধ করতে চায়।

 

তাদের বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে বললে কেউ কাফের-মুরতাদ হয়ে যায় না। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে তারা সুপরিকল্পিতভাবে আমাদেরকে ইসলাম বিদ্বেষী, মুরতাদ, কাফের, বাতিল, খ্রিষ্টান, গোমরাহ, ধর্ম অবমাননাকারী, কোর’আন-হাদিস অস্বীকারকারী হিসেবে ফতোয়া দিচ্ছে। তাদের এসব ফতোয়ায় প্ররোচিত হয়ে তাদের অন্ধ অনুসারীরা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে- তোকে জবাই করা হবে, হত্যা করা হবে, মাথা কাটা হবে, বিনা জানাজায় দাফন করা হবে, কবর দেওয়া হবে, পুড়িয়ে হত্যা করা হবে ইত্যাদি।’

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রমাগত হুমকির প্রেক্ষিতে কয়েকটি জেলায় আমরা মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অথচ আইন সবার জন্যই সমান। আলেম-ওলামা হলেই কেউ আইনের উর্ধ্বে উঠে যায় না।

আমাদের দাবি, আইসিটি আইন লঙ্ঘনকারী, ওয়াজে অপপ্রচারকারী ও হুমকিদানকারী যে কোন ব্যক্তিকে এবং ইতঃপূর্বে দায়েরকৃত মামলায় আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।’ তিনি এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তারা আল্লাহ নবীর কথা বললেও তাদের পোশাক আশাকে ইসলামি ভাব ছিলো না। ছেলেরা শার্ট-পেন্প-গেঞ্জি ইনকরা ছিলো মেয়ারা জিন্সপেন্টও টপ পড়া অবস্থায় সেখানে ছিলো।

ছেলেদের বা নেতাদের কারো মুখে দাড়ি ছিলো না। তারা একটি ভিডিও প্রদর্শণ করেন যার পুরোটা ছিলো আলমে ওলামাদের তাদের বিরুদ্ধে অনেক কথা। উপস্থিত অনেকে মনে করেছেন তরা আলেমদের একটি প্রতিপক্ষ।

যাবেনা।