সিলেটে অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সকলের সহযোগিতা কামনা – লায়ন হেলেন আক্তার নাসরিন

সুরমা ভিউ:-  সিলেট লায়ন্স ফাউন্ডেশন (এসএলএফ) এর উদ্যোগে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর নির্বাচনে লায়ন সদস্য যথাক্রমে চন্দন সাহা, এহতেশামুল হক চৌধুরী এমজেএফ, পিন্টু চক্রবর্ত্তী এমজেএম, হুমায়ুন আহমদ, আতিক হোসেন, নজরুল ইসলাম বাবুল এমজেএফ, ইশরার আহমদ রকি, শমসের জামাল নির্বাচিত হওয়ায় তাদের সম্মানে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গত ১৯ অক্টোবর শনিবার রাতে নগরীর স্টেশন ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট লায়ন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন আছমা আক্তার কামরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লায়ন ডিস্ট্রিক্ট-৩১৫ বি-১ বাংলাদেশের গভর্নর লায়ন হেলেন আক্তার নাসরিন এমজেএফ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা গভর্নর লায়ন ডাঃ আজিজুর রহমান, সিলেট স্টেশন ক্লাব লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম এডভোকেট।
সিলেট লায়ন্স ফাউন্ডেশনের জয়েন্ট সেক্রেটারী লায়ন গৌতম লাল দত্তের পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন লায়ন এডভোকেট কাজী মাইন উদ্দীন আহমদ ও আনুগত্যের শপথ পাঠ করান সেক্রেটারী লায়ন হারুন আল রশিদ দীপু এমজেএফ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন লায়ন ডিস্ট্রিক্ট-৩১৫ বি-১ বাংলাদেশের ক্যাবিনেট সেক্রেটারী লায়ন মুশফিক কবির অভি, ট্রেজারার লায়ন আশরাফুজ্জামান চৌধুরী ইমন, হেড কোয়ার্টার আরসি লায়ন রফিকুল বারী মুক্তা, লায়ন ডাঃ মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী বাহার, লায়ন শামসুল আলম খান প্রমুখ। সংবর্ধিত অতিথিদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সিলেট চেম্বার অব কার্মস এন্ড ইন্ড্রাস্টিজ এর সিনিয়র সহ সভাপতি লায়ন চন্দন সাহা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন হেলেন আক্তার নাসরিন বলেন, লায়ন সদস্যরা সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনে মানবতার কল্যাণে কাজ করছেন। সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে লায়নরা নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে কাজ করেন। তাই বিশ^ব্যাপী লায়নরা মানবতার কল্যাণের এক অগ্রদূত হয়ে আছেন। সিলেট চেম্বার অব কমার্সে নির্বাচিত লায়ন নেতৃবৃন্দের সফলতা কামনা করে তিনি লায়নিজমের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় সংবর্ধিতরা আবদান রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি সিলেটে অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত লায়ন নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা ক্রেস্ট, উত্তোরিয়, ফুল উপহার দেয়া হয়। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়।