সিলেটের করেরপাড়া মন্দিরের ৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার।।  সিলেট সিটি করপোরেশন এর ৮ নং ওয়ার্ডের করেরপাড়াস্থ শ্রীহট্র সৎসঙ্গ বিহারের কথিত ইনচার্জ কেন্দ্রীয় কমিটির দুই প্রভাবশালী সদস্য সহ চার জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।মামলা নং ১৫৭৬/২০১৯ ইং।আদালত মামলাটি পি বি আই কে দায়িত্ব দিয়েছেন, পিবি আই আগামী ১৮ তারিখ রিপোর্ট আদালতে প্রদান করবেন।

মামলার বিবরনীতে বলা হয় ২০০৭ সালে নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে সৎসঙ্গের কেন্দ্রীয় সংগঠন ও সৎসঙ্গ বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ সংবিধান লংঘন করে প্রথমে পাচ সদস্য ও পরে ৮ সদস্যের কমিটি গঠন করে পাঠান।

উভয় কমিটিতে আশুতোষ দাসকে সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব দেওয়া হয়।কিন্তু আশুতোষ দাস সাধারণ সভা না করে ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের দেওঘর থেকে এসে নিজেকে সৎসঙ্গ বিহারের ইনচার্জ হিসেবে ঘোষণা করেন এবং বিভাগ ব্যাপী প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন কিন্তু দুখের বিষয় সৎসঙ্গ বাংলাদেশের ইনচার্জ প্রথা নেই।

মামলার আসামি আশুতোষ দাস, সুব্রত আদিত্য,ধৃত ব্রত আদিত্য এবং সিলেটের অফিস সহকারী  নিরঞ্জন দে নবুল এর সহযোগীতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাত করে আসছেন। আরজিতে আরো বলা হয়েছে সিলেটে সৎসঙ্গ বিহারের টাকা জমা না রেখে ১-৩ নং আসামি একে অপরের যোগসাজশে প্রতি বছর প্রায় ৭২ লক্ষ টাকা এবং গত ১১ বছরে ৭ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা এবং আশুতোষ দাসের কাছে রক্ষিত ১৭৫ চাদা আদায়ের রশিদ বই হতে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাধারণ সদস্য ও ভক্তবৃন্দের বিশ্বাস ভঙ্গ করে আত্মসাত করেছেন।

ধর্মমন্দিরের এধরণের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের সুবিচার চেয়ে এবং প্রতিষ্ঠান যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়ে এজন্য মহামান্য আদালতের নিকট বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে মামলার বিবাদী শ্রী আশুতোষ দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।আমি সিলেটের স্বনামধন্য মদন মোহন কলেজে শিক্ষকতা পেশায় নিয়জিত, এবং আজ পর্যন্ত ৭ জন অধ্যক্ষের অধিনে শিক্ষকতা করছি, আজ পর্যন্ত কেউ আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেন নি।আমি মন্দিরের টাকা আত্মসাতের প্রশ্নই উঠেনা।আদালতের পিবি আইকে দায়িত্ব দিয়েছেন,আমার শতভাগ বিশ্বাস আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগই প্রমাণিত হবে না।