‘উপোস’ আছেন ওমর ফারুক চৌধুরী!

সুরমাভিউ ডেস্ক।।   সাত বছর ধরে যুবলীগের চেয়ারম্যানের পদ আঁকড়ে ধরে ছিলেন উমর ফারুক। সম্প্রতি সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযানে তার নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে শেষ পর্যন্ত পদচ্যুত হয়েছেন তিনি। শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চোধুরী। পরে সুর নরম করলেও প্রকাশ হতে থাকে কমিটি বাণিজ্যসহ তার নানা কর্মকাণ্ডের খবর। যুবলীগ চেয়ারম্যানের পদ হারানোর পর জব্দ করা হয় ওমর ফারুকের ব্যাংক হিসাব। বিদেশ যাত্রায় আসে নিষেধাজ্ঞা। এখন রাজনৈতিক সহকর্মীদের কাছে সমালোচিত তিনি।

জানা গেছে, পদ হারিয়ে হতবিহ্বল যুবলীগের পদচ্যুত এই চেয়ারম্যান এখন আর রাজনীতি নিয়ে ভাবছেন না। ফলে এখন তাকে একাকী পথ চলতে হচ্ছে।ঢাকার বাসা আর ব্যক্তিগত কার্যালয়ে সময় কাটছে তার। রাজনৈতিক ভবিষ্যতের চিন্তা বাদ দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সময় দেয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। জানা গেছে, স্ত্রী-সন্তানসহ নিজের ব্যাংক হিসাব জব্দের পর থেকে এক প্রকার ‘উপোস’ আছেন বলে জানান ওমর ফারুক। তবে চেয়ারম্যান থাকাকালে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে বিব্রত যুবলীগের সাবেক-বর্তমান নেতারা।

আওয়ামী যুবলীগের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ বলেন, সত্যি কথা বলতে এসব নিয়ে আমরা অনেকটা বিব্রত। মানুষ যেই অবস্থানেই থাকুক না কেন ভুল করাটা কিন্তু তার ব্যক্তিগত সমস্যা। প্রতিষ্ঠান মানুষকে ভুল করতে শেখায় না। উনি যে ভুল করেছেন এখন সেটার প্রায়শ্চিত্তই করছেন। যুবলীগের সাবেক নেতা মির্জা আজম মনে করেন, ২০১২ তে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন ওমর ফারুক। যুবলীগে কালিমা লেপনের দায়ে পদচ্যুত চেয়ারম্যান ছাড়াও বিদায়ী কমিটির নেতাদের সমালোচনা করেন সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, কয়েকজন নেতার কর্মকান্ড বা অপকর্ম সমস্ত যুবলীগকেই কালিমাযুক্ত করেছে। যারা যুবলীগের কার্যকরী কমিটিতে ছিলেন তাদের এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিত ছিল।