|

শীতের দিনে খেজুর খওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ঠাণ্ডা নিরাময়ে সাহায্য করে

যদি আপনি ঠাণ্ডার সমস্যায় ভোগেন তাহলে ২-৩ টি খেজুর, কয়েকটি গোলমরিচ এবং ১-২ টি এলাচ পানিতে দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দ্রবণটি পান করুন। এটি ঠাণ্ডা নিরাময়ে সাহায্য করবে।

অ্যাজমা ভালো করে

অ্যাজমা এমন একটি স্বাস্থ্য সমস্যা যা শীতের সময়ে বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ১-২ টি খেজুর খেলে অ্যাজমা সমস্যা বৃদ্ধি পায় না।

উষ্ণতা প্রদান করে

খেজুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার, ভিটামিন ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস। এটি শরীরকে উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে বলে শীতের সময়ে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

শক্তি বৃদ্ধি করে

খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি থাকে বলে তাৎক্ষণিকভাবে পেতে সাহায্য করে। যখনই আপনার শক্তি বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হবে তখনই কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতে পারেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য

খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ। একগ্লাস পানিতে কয়েকটি খেজুর ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে ভেজানো খেজুরগুলোকে পিষে নিন এবং এই সিরাপটি খালি পেটে পান করুন। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করবে।

হৃদপিণ্ডের জন্য ভালো

খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ বলে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। এটি হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করে বলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রতিরোধ হয়, বিশেষ করে শীতের সময়ে।

আরথ্রাইটিসের জন্য ভালো

খেজুরে প্রদাহরোধী উপাদান আছে। এজন্য খেজুর খেলে আরথ্রাইটিসের ব্যথা কমে যা শীতের সময়ে খুব সাধারণ একটি বিষয়। তাই প্রতিদিন কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন।

ব্লাড প্রেশার কমায়

খেজুর ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ, এই দুটি উপাদান রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন ৫-৬টি খেজুর খেতে পারেন।

তথ্য সূত্র: এমসিডিসি

সংবাদটি 129 বার পঠিত
advertise