|

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আগুন জ্বলছে এখন জিয়া উদ্যানে!

একে কুদরত পাশা, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি::
জিয়া উদ্যান চমৎকার একটি জায়গা, দারুন বাতাস, বেশ গোছানো। সন্ধ্যার পর যে নতুন রুপে সাজে উদ্যানটি। জিয়ার কবরের চারদিক সুন্দর লাইর্টিং সেতুটা আলো ঝলকানো। পায়ের নিচে কাচের ভেতরে আলো, দু পাশে ফোযারা, একটু পর পর সশব্দে বিশেষ ছন্দে পানি ছুড়ে দিচ্ছে উপরে, নিচ থেকে রঙ্গীন আলো সেই পানির ঝর্ণাকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলছে এই চোখ যা দেখেছিলো তা আজ অতীত। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আগুন জ্বলছে এখন জিয়া উদ্যানে।
ঢাকায় যখনি আসি জিয়া উদ্যানে সময় করে একবার যাই। কারণ এ জায়গাটার প্রতি অনেক ভালোবাসা। এখানেই ঘুমিয়ে আছেন, স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ৫ মে সন্ধ্যায় গিয়েছিলাম জিয়া উদ্যানে, সেখানকার ভয়াবহ অবস্থা দেখে মনটা ভীষণ খারাপ হলো। জিয়ার মাজারে প্রবেশ মূখে একটি নাম ফলক ছিলো, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তা আজ গায়েব। উদ্যানের ভেতরে একটি বাতি ও জ্বলছে না। ঘুটঘুটে অন্ধকার। আগে মাজারের কবরের উপরে পিরামিড অংশে কাউকে উঠতে দেওয়া হতো না, এখন সেখানে বসে আড্ডাবাজি হচ্ছে। মূল কবর অংশে একটাও বাতি জ্বলে না। জায়গাটি মূল আলোকিত হয়ে আছে চটপটি আর ফুচকাওয়ালাদের হ্যাজার আর তরুণ তরুণীর ব্যবহৃত মোবাইলোর আলোতে। সেতুর কাছে মনটা আরো বেশী খারাপ হলো অন্ধকার সেতু। কাচগুলো মেনে হচ্ছে পানিতে নিমজ্জিত। ফোয়ারা বন্ধ। হয়ত আগত জিয়ার সৈনিকও দর্শকরা অতীত খোজে বেড়াচ্ছেন।
হয়ত আবারো আলো ঝলকানো সেতুটার আলোতে আলোকিত হবে জিয়া উদ্যান ফিরে পারে সে তার আসল রূপ। তবে সেদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের। মানুষ ভোটের সুযোগ পেলেই এ দেশের প্রধান মন্ত্রী হবেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সে দিনের অপেক্ষার রইলাম, সকল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হিসাব মেলানোর জন্য।

সংবাদটি 158 বার পঠিত
advertise