|

আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে দক্ষিন সুরমার ন্যাচারাল পার্ক

শোয়েব আহমদ আমিনঃ

সুরমা পাড়ে অবস্থিত দক্ষিণ সুরমা।  আর সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে  ২৭ নং ওয়ার্ডে নির্মানাধীন সিলেট ন্যাচারাল পার্ক।  প্রায় ৯ বছর পর পুনরায় নির্মান কাজ শুরু হওয়ায়,আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে দক্ষিণ সুরমার আলমপুরস্থ সিলেট ন্যাচারাল পার্ক।

পার্কটির নির্মান কাজ শুরু হয় ২০০৬সালে।  প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ২০০৯ সালে এই পার্কের অভন্তরীন কাজ শেষ হয়।  তবে দুঃখের বিষয় কাজ শেষেও প্রায় সাড়ে আট বছর পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়েছিল পার্কটি।  আর তখন এই পার্কে গড়ে উঠে মাদকের সম্রাজ।  রাতের আধাঁর নামতেই শুরু হতো মাদক সেবন সহ নানা অপকর্ম। তবে আশার দিক হচ্ছে এই যে,সিলেট সিটি কর্পোরেশন পার্কটি চালু করার উদ্যোগ গ্রহন করেছে।  এরই পরিপ্রেক্ষিতে পুরো পার্কের আগাছা কেটে নতুন রাইড বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।তবে চালুর আগে বদলে যাচ্ছে নাম, সাইফুর রহমান পার্কের পরিবর্তে ন্যাচারাল পার্ক নামে চালু হবে পার্কটি।  নাম সংক্রান্ত জটিলতায় এতদিন পার্কটি বন্ধ ছিল বলে যানা যায়।

২০০৭ সালে পার্কের জন্য বরাদ্ধ করা হয় ১২ কোটি টাকা তবে,তখন নির্দিস্ট সময়ে কাজ শুরু না করায় পুরো টাকাই চলে যায় মন্ত্রনালয়ে। পার্কের রাইড বসানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে চায়নার “ডাকইয়ার্ড কোম্পানি” নামের একটি প্রতিষ্ষ্ঠান এ কাজ পরিচালনা করছে। আর তাদের তথ্যমতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে পার্কটি চালু হবে।  আর সত্যিই ২০১৮ সালের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে পার্কটি চালু হয় তাবে,সিলেটবাসী পেতে যাচ্ছে এক অত্যাধুনিক পার্ক।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সূত্রমতে,পার্কটি তৈরিতে ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা ব্যয় হবে।  পার্কে ১০-১৫ টি রাইড বসানো হবে বলে জানিয়াছে সংশ্লিষ্টরা।রাইড বসানোর মধ্যে রেলগাড়ি, সুইং নাগরদোলা, বাম্পার কার, ম্যাজিক প্যারাসুটের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের প্রচেষ্টায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যায়ে দক্ষিন সুরমায় হবিনন্দী মৌজায় ৩.৪৪ ভূমির উপর পার্কটির নির্মান কাজ শুরু হয়। ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল এই তিন বছরে পার্কের,দেওয়াল নির্মাণ, সাবষ্টেশন, বৈদ্যুতিক খু্টিসহ অভন্তরীন যাবতীয় কাজ শেষ হয়।অবকাঠামোর দিক দিয়ে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকার পরও ৮ বছর ধরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়েছিল পার্কটি।

২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল নজরুল বলেন, সিলেট ন্যাচারাল পার্কটি নির্মাণ শেষে চালু হলে,দক্ষিণ সুরমাসহ পুরো সিলেটবাসীর চিত্তবিনোদনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে দক্ষিন সুরমা।আর এতে করে অর্থনৈতিক ভাবে আরো সমৃদ্ধশীল হবে দক্ষিণ সুরমাসহ আশেপাশের এলাকাসমূহ।

সংবাদটি 399 বার পঠিত
advertise