|

মান্নার দল নিবন্ধন পাবে কি ?

নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধের বাছাইয়ে নির্বাচন কমিশনের বিবেচিত না হওয়ায় মাহমুদুর রহমান মান্না ফের ইসির কাছে আবেদন করেছেন। ইসি সে আবেদন আমলে নিয়ে আগামী ১৯ আগস্ট নাগরিক ঐক্য দলের শুনানির দিন ধার্য করেছে।

ইসি সূত্র জানায়, আবেদন করা ৭৬টি দলের মধ্যে এ দলটির শুনানি হবে। তবে এ দলটি নিবন্ধন পাবে কিনা সেটি কমিশন সিদ্ধান্ত নিবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধনের জন্য গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় নির্বাচন কমিশন। এ সময়ের মধ্যে আবেদন করে ৭৫টি নতুন দল। প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়ে যায় ১৯টি, পরবর্তীতে আরও ৯টি।

সর্বশেষ টিকে থাকা ৪৭টি দলের তথ্য পর্যালোচনার কাজ সম্পন্ন করেছে কমিশনের বাছাই কমিটি। এরমধ্যে ২টি দলকে অধিকতর তদন্তের বিবেচনায় রেখে ৪৫টি দলের আবেদনই না-মঞ্জুর করা হয়। পরে ঐ দুই দলকেও বাদ দেওয়া হয়। আর্থ্যৎ যে ৭৬ দল আবেদন করেছিল তা সব গুলোর বাতিল করা হয়। এখন নতুন করে নাগরিক ঐক্য আবেদন করায় তাদের শুনানি হচ্ছে।

নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, নিবন্ধনের ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, তিনটির মধ্যে একটি শর্ত পূরণ হলেই তারা নিবন্ধনের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

শর্তগুলো হলো-
১. দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেকোনো জাতীয় নির্বাচনে আগ্রহী দলটির যদি অন্তত একজন সংসদ সদস্য থাকেন।

২. যেকোনো একটি নির্বাচনে দলের প্রার্থীর অংশ নেয়া আসনগুলোয় মোট প্রদত্ত ভোটের ৫ শতাংশ পায়।

৩. দলটির যদি একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ (২১টি) প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানায় কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত দলিল থাকে।

ইসি সূত্র জানায়, এর আগে দশম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগ্রহী নতুন ৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ৪১টিই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়। মাত্র দুটি দল শর্ত অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কার্যালয় ও কমিটি থাকার তথ্য দিয়েছিল। এরপর তাদের নিবন্ধন দেয় কমিশন। দল দুটি হলো- বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট।

সংবাদটি 72 বার পঠিত
advertise