|

জগদল বাজারে জমে উঠেছে পশুর হাট

হেলাল আহমেদঃ

ক্রমে জমে উঠেছে দিরাইয়ে কোরবানির বিভিন্ন পশুর হাট। ভারতীয় নয়, বরং দেশি গরুতেই এবার হাটগুলো জমজমাট। গরুর হাটে বিক্রেতা ও সাধারণ ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। পশুর হাটগুলোতে দেশি গরুর পাশাপাশি কিছু ভারতীয় গরুও উঠছে। তবে হাটে দেশি গরুর চাহিদা এবারে বেশি।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, সুনামগঞ্জে এবার কোরবানির জন্য চাহিদার চেয়ে বেশি গবাদিপশু খামার ও কৃষকদের বাড়িতে মজুদ রয়েছে।

সুনামগঞ্জের বড় পশুর হাটগুলোর মধ্যে পাথারিয়া বাজার,ভিমখালি বাজার,জাউয়া বাজার,দিরাই হ্যালিপেড গরুর হাট,, উল্লেখযোগ্য। এসব হাটের ক্রেতা-বিক্রেতা ও ইজারাদাররা জানান, ঈদুল আজহাকে ঘিরে হাটগুলোতে কোরবানির পশুর ব্যবসা এখন জমজমাট। হাটগুলোতে এবার ভারতীয় গরু-মহিষের আমদানি দেশি গরুর চেয়ে অনেক কম। সরেজমিনেও দেখা গেছে, হাটগুলোতে প্রাধান্য পাচ্ছে বাড়িতে পালা এবং খামারে পোষা দেশি গরু। তবে ক্রেতারা বলছেন, হাটে এখন দেশি গরুর দাম বেশি। হাট ঘুরে গরু দেখলেও না কিনে অপেক্ষা করছেন অনেক ক্রেতাই। তাঁদের দাবি, সামনে কম দামে গরু বিক্রির সম্ভাবনা আছে। কারণ হিসেবে ক্রেতারা বলছেন, এবার সুনামগঞ্জে কোরবানির পর্যাপ্ত পশু মজুদ আছে। যাঁরা এসব পশু পুষছেন, তাঁরা ঈদের আগেই গরু বিক্রির টার্গেট করেছেন। ফলে ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, পশুর দাম ততই কমবে। সুনামগঞ্জের প্রতি গরুর বাজারে হাট বসত সপ্তাহে দুই দিন।
হাটে গিয়ে দেখা গেছে, হাটে প্রচুর পরিমাণে দেশি গরু উঠেছে। সে তুলনায় ভারতীয় গরু উঠেছে অনেক কম। তবে এবার গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে গতবারের চেয়ে গরুভেদে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেশি। বিক্রি না হওয়ায় অনেককেই বাড়িতে গরু ফিরিয়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
তাছাড়া অতি গরমের কারণে হাটে পশু নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। স্থানীয় পাথারিয়া বাজারে হাটের ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেড় মণের মতো দেশি ছোট সাইজের গরু বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। দুই মণের মাঝারি সাইজের গরু বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার। আর বড় সাইজের তিন থেকে সাড়ে তিন মণ ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে ভারতীয় গরু (১৫০ থেকে ১৭০ কেজি ওজনের) বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া ছাগলের দাম এবারে একটু বেশি মনে হয়েছে। পাথারিয়া বাজারে ১২ কেজি মাংস হবে এমন ছাগলের দাম আট থেকে নয় হাজার, ১৫ থেকে ১৮ কেজির দাম ১৩ থেকে ১৫ হাজার এবং ২০ থেকে ২৫ কেজি মাংস হবে এমন ছাগল বিক্রি হচ্ছে ১৭ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

হাটে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দেশি গরু উঠছে। এখনো গ্রামে গ্রামে গড়ে ওঠা খামার এবং বাড়ি বাড়ি পালন করা দেশি গরু পর্যাপ্ত রয়েছে। তাঁর দাবি, গরুর দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই আছে। তবে এখন পর্যন্ত গতবারের চেয়ে কিছুটা বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে দেশি গরু ।

এ দিকে উপজেলার দিরাইয়ের ভিবিন্ন বাজারে জমে উটেছে গরুর হাট,
স্থানীয় জগদল বাজারে এখন পুরো দমে উঠছে পশুর হাট।সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় ক্রেতারা মহা আনন্দের মধ্য দিয়ে ক্রয় করেছেন গরু।
কারন হিসেবে জানা যায় বাজার ছোট হলেও এখানে নেই ভারতীয় পশু।মোটা তাজা করন গরু নেই,তাই বেশী আগ্রহ নিয়ে কিনছেন গরু ক্রেতারা।

জগদল বাজার কমিটির সভাপতি হাজী ডাঃ বজলুন্নুর বলেন,
আমরা এবার প্রথম পরিক্ষামুলক পশুর হাট চালু করেছি জগদলে,কারন আমরা হাওর পাড়ের মানুষ,যোগাযোগ ব্যবস্থা নতজানু,আর জগদল নিকটে নেই কোন পশুর হাট,আমাদের গরু ক্রয় করতে হলে যেতে হয় সুদুর দক্ষিন সুনামগঞ্জের পাথারিয়া,ভিমখালী,ছাতকের জাউয়া বাজার।
তাই আমাদের এই উদ্দ্যেগ।যদি এবার ক্রেতা সমাগম হয় তাহলে আমরা আগামিতে এলাকাবাসি ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় গড়ে তুলব জগদলে পশুর হাট।

সংবাদটি 643 বার পঠিত
advertise