|

ধূমপান বর্জনের কার্যকর পদ্ধতি!

আসলে ধূমপানের নেশা ছেড়ে দেবার জন্য প্রচলিত যে পদ্ধতিগুলি রয়েছে, তা বেশিরভাগই সেভাবে কোনও কাজে আসে না। ফলে বছরের শুরুতে যত জন ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে বিপ্লব ঘোষণা করেন, বছর শেষে আদতে কতজন সেই লক্ষ পূরণ করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়! তবে আর চিন্তা নেই। কারণ যারা স্মোকিং ছাড়ার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর, তাদের সাহায্য করতে আজ এই প্রবন্ধে এমন কিছু ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হবে, যা দারুন কাজে আসে। শুধু একটাই অনুরোধ, ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগিয়ে যেতে হবে, তাহলেই দেখবেন সাফল্য চলে হাতের মুঠোয়!

১. গোলমরিচ: ধূমপানের নেশা ছাড়াতে বাস্তবিকই গোলমোরিচের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদনটি খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে একদিকে যেমন স্মোক করার ইচ্ছা কমে যায়, তেমনি ধূপমান করার শরীরের যা যা ক্ষতি হয়েছে, তার প্রভাবও কমতে শুরু করে। ফলে কোনও জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

২. এলাচ: একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা কমাতে বাস্তবিকই এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখন প্রশ্ন হল, এক্ষেত্রে কীভাবে কাজে লাগাতে হবে এলাচকে? কিছুই না যখন ধূমপান করতে মন চাইবে, তখন ২-৩ টে এলাচ মুখে ফেলে দেবেন। দেখবেন নিমেষে স্মোক করার ইচ্ছা চলে যাবে, সেই সঙ্গে শরীরও চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

৩. মধু: এতে উপস্থিত বেশ কিছু ভিটামিন, এনজাইম এবং প্রোটিন শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দেওয়ার পাশাপাশি সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ধূমপান ছাড়তে কোনও অসুবিধাই হয় না।

৪. ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট: নিকোটিনের মতো টক্সিনের সঙ্গে লড়াই করার জন্য নিজের সঙ্গে শক্তিশালী কাউকে না রাখলে কিন্তু এই অসম যুদ্ধে জেতা সম্ভব নয়। আর এক্ষেত্রে আপনার পাশে দাঁড়াতে পারে ভিটামিন। প্রতিদিন ভিটামিন- এ, সি এবং ই সমৃদ্ধ ক্যাপসুল অথবা খাবার খেলে সিগারেটের নেশা একেবারে চলে য়ায়। সেই সঙ্গে আরও নানাবিধ রোগে প্রকোপও কমে।

৫. আদা: আপনি কি ধূমপান ছাড়তে চান? তাহলে আজ থেকেই আদার সাহায্য নিন। আসলে এতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নানাভাবে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকে দমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ধূমপান ছাডা়র কারণে যেসব উইথড্রল সিম্পটন দেখা দেয়, সেগুলিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাটাই চলে যায়। এক্ষেত্রে আদা চা বা কাঁচা আদা খেতে হবে। তবেই মিলবে উপকার।

সংবাদটি 32 বার পঠিত
advertise