|

সিলেটে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলায় আসামি হলেন যারা

সিলেট নগরীর যতরপুরে ‘পুলিশের ওপর হামলার’ অভিযোগ এনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৫৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে কোতোয়ালী থানায় এসআই কৃষ্ণপদ রায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।

কোতোয়ালী থানার ওসি মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাহির চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব ফয়সল, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক, জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার প্রধান আসামি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছুর রহমান মুন্নাকে।

এছাড়া জেলা বিএনপির সদস্য চৌধুরী মো. সুহেল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আরিফ ইকবাল নেহাল, জাকির হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন পারভেজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমদ, সহ-সভাপতি গোলাম আহমদ সেলিম চৌধুরী, জুবের আহমদ জুবের, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি আহসান, সহ-সভাপতি এনামুল হক, রাইসুল ইসলাম সনি, জেলা ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর রহমান, ছদরুল ইসলাম লোকমান, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন রাজিব, আনোয়ার হোসেন রাজু, হোসাইন আহমদ, তাজুল ইসলাম সাজু, আবু কাহের রাশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুক্তাবির সাকি, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুর রহমান রাশেদ, মহানগর ছাত্রদলের সহ সভাপতি কবির আহমদ উজ্জ্বল, আব্দুল করিম জোনাক, যুগ্ম সম্পাদক ফাহিম রহমান মৌসুম, সামছুদ্দিন শামসুল, সুহেব আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম সৌরভ, সহ সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজ ভুইয়া পলাশ, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক স্বপন, সাবেক সহ সভাপতি ময়মুল ইসলাম, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক বোরহান আহমদ রাহেল, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম মকসুদ আহমদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আফছর খান, মাসুক আহমদ, মহানগর যুবদল নেতা শাকিল মুর্শেদ, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নাবিল রাজা চৌধুরী।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- গোলাপগঞ্জের ফাহিম আহমদ চৌধুরী, ফয়সল ইসলাম, বিয়ানীবাজারের কাউসার আহমদ ওরফে রিমন আহমদ, গোলাপগঞ্জের খালেদ আহমদ, ফাহিম আহমদ ওরফে টিপু আহমদ, সোবহানীঘাট মৌবন এলাকার ফরিদ আলী, গোলাপগঞ্জের তানভির আহমদ, আম্বরখানা এলাকার তানভীর আহমদ চৌধুরী, বিশ্বনাথের তানিমুল ইসলাম ও মহানগর বিএনপির সমর্থক মনিন্দ্র রঞ্জন দে।

প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যায় নগরীর সোবহানীঘাট যতরপুর এলাকায় জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীমের বাসা থেকে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছুর রহমান মুন্নাসহ ৮ জনকে আটক করে পুলিশ। তিনটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

ঘটনার পর ওসি মোশাররফ গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আবুল কাহের শামীমের বাসার সামনে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জড়ো হচ্ছে দেখে পুলিশের টহল দল সেখানে যায়। তখন নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে।

তবে পুলিশের বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে বিএনপি নেতা আবুল কাহের শামীম বলেছিলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। হয়রানি করতে এ ধরনের ঘটনা সাজাচ্ছে পুলিশ।’

তার বাসায় পুলিশ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন শামীম।

সংবাদটি 457 বার পঠিত
advertise