|

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন এসকে সিনহা

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। তবে তার আবেদনের ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বর্তমানে তিনি  ‘স্ট্যাটাসবিহীন’ অবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তিনি বলেছেন, আমি এখনো একজন রিফিউজি।

শনিবার ওয়াশিংটনে তার লেখা আত্মজীবনী গ্রন্থ ‘অ্যা ব্রোকেন ড্রিম’ বই এর প্রকাশনা উৎসবে তিনি এই তথ্য জানান। খবর নতুন দেশ অনলাইনের।

বিচারপতি এসকে সিনহা বলেন, আমেরিকায় তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে। যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে বক্তৃতা করার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু তিনি সেখানে যেতে পারছেন না। জেনেভা এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নের আমন্ত্রণেও তিনি সাড়া দিতে পারছেন না।

তিনি তার ভিসা এবং আশ্রয়ের ব্যাপারে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহায়তা চান।

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহা বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচার ব্যবস্থা নিয়ে তার নিজের যে লক্ষ্য এবং দায়িত্ব পাওয়ার পর যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তারই বিবরণ এই বই।

তিনি বলেন, বইটি প্রকাশের ক্ষেত্রে তিনি কারও কাছ থেকেই কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। বইটি প্রকাশের জন্য কেউ বিনিয়োগ করতে রাজি হয়নি, এমন কি প্রকাশকও পাননি তিনি।

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বই প্রকাশের পেছনে কাদের সহায়তা আছে তা খুঁজে দেখতে বলেছেন- এই বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিচারপতি সিনহা বলেন, আমি একটি বই লিখেছি, সেই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে যদি কারও ভূমিকা থাকে, কেউ যদি সহায়তা করেন সেটি কি অপরাধ?

তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন- এই বই নিয়ে এতো ভয় কিসের? কেন তিনি (প্রধানমন্ত্রী) আমার মুখ বন্ধ রাখতে চান।

বই প্রকাশে কেউ অর্থের যোগান দিয়েছে এমন অভিযোগের ব্যাপারে বিচারপতি সিনহা বলেন, আমার বইতো প্রকাশ করেছে আমাজন। আপনি কি মনে করেন আমাজান টাকা নিয়ে বই প্রকাশ করেছে।

বিচারপতি সিনহা বলেন, টাকার অভাবে ভালো পেশাদার কোনো সম্পাদককে দিয়ে বইটি সম্পাদনা করাতে পারিনি। অনেক ভুল থেকে গেছে। এমন কি বইয়ের সূচিপত্র পর্যন্ত নেই। সুত্র: নতুনদেশ ডটকম।

সংবাদটি 36 বার পঠিত
advertise