|

অযত্ন-অবহেলায় নতুন জগদল কবরস্থান!

সুরমাভিউ রিপোর্ট ঃ

এক পাশে জগদল ২০ শয্যার হাসপাতাল আর গ্রাম ডুলার গাওঁ, নোয়াগাও,আরেক পাশে হেরাচ্যাপ্টি নদী আর নদীর ওপারে গ্রাম আটপুরিয়া, অন্য পাশে সড়ক আর গ্রাম নতুন জগদল,উত্তরে আছে খাইতলার খাল আর গ্রাম আছকির নগর।
মাঝে অবস্থান করছে নতুন জগদল কবরস্থান।

যেনো প্রকৃতি আপন মহিমায় নিজ হাতে গড়েছে নতুন জগদলের এই ঐতিহ্যবাহী কবরস্থান।

এত সুন্দর মনোরম পরিবেশে গড়া এই কবরস্থান তাহলে আজ কেন অযত্নে –অবহেলায় পরে আছে জগদলের পুরাতন কবরস্থান।সঠিক পরিচর্যার অভাবে ঐতিয্যবাহী এই কবরস্থান জংগলে ধারন করেছে।

যখন আশে-পাশে কোন কবরস্থান ছিলনা তখন একমাত্র সম্বল ছিল এই কবরস্থান।

আজ কেন এই হাল!

উত্তর একটাই ভালোভাবে দেখ-শুনা না করার কারনেই অবস্থা।

যে কবরস্থান কে পবিত্র বলা হয়।যে কবরস্থান মানুষের মৃত্যুর পর শেষ ঠিকানা বলা হয়,আজ সেই কবরস্থান ধুকে ধুকে মরছে।

দেখার কেউ?

সাধারন জনতার সাথে কথা বলে জানাগেছে এই কবরস্থান কে পরিচর্চা করার জন্য গ্রামের কেউ এগিয়ে আসেনা।
গ্রামে আরো দুটি কবরস্থান আছে।এবং তা ভালো ভাবে দেখা শুনা করা হয়।

অথচ এই কবরস্থানের প্রতি কারো নজর নেই।
গ্রামের প্রবীন মুরুব্বিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,এই কবরস্থানে ঘুমিয়ে আছেন বাংলাদেশের প্রথম পরাষ্ট্রমন্ত্রি আব্দুস সামাদ আজাদের পিতা সহ তারঁ বংশধররা।

তাহলে আজ কেনো এই অযন্তে অবহেলায় জর্জরিত নতুন জগদল কবরস্থান।

চাইলেইত গ্রামের তহবিল থেকে এর উন্নয়ন করা যায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের এক লোক জানালেন।

কি অদৃশ্য কারনে সামাদ পুত্র ডন এই কবরস্থান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিছেন আজও কারো বোধগম্য নহে।

অনেকেই বলেন কবরস্থানের উপর যে ছোট বড় গাছ আছে তা কেটে বিক্রি করে মাটি ভরাটের কাজ কিছুটা করা যায়।
তাহলে কবরস্থান কিছুটা প্রান ফিরে পাবে।
অত্র গ্রামবাসী জগদল ইউপি চেয়ারম্যান,উপজেলা চেয়ারম্যান ও মাননীয় সংসদ সদস্য জয়া সেনের প্রতি আহব্বান জানিয়ে বলেন,একবারে জন্য হলেও নতুন জগদলের এই ঐতিহ্যবাহী কবরস্থানের প্রতি নজর দেন।

সংবাদটি 72 বার পঠিত
advertise