|

তফসিল ঘোষণা হলে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত ঐক্যফ্রন্টের!

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা আজ বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর)। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন দুই জোটের রাজনৈতিক অনৈক্যের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল ঘোষণা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

এদিকে ধারণা করা হচ্ছে- জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রোডমার্চ, জনসভা, পদযাত্রা ও ঘেরাও অবরোধ সহ বিভিন্ন কঠোর কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপ আশা অনুরুপ না হওয়ায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা আন্দোলনের পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা চাচ্ছেন- ধীরে ধীরে ধাপে ধাপে আন্দোলনের গতি সামনের দিকে বাড়াতে।

বুধবার (৭ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বেশ কয়েকটি বৈঠক করেন।

এ বৈঠক শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ রয়েছে, তফসিল ঘোষণা হলে আমরা আমাদের রোডমার্চের সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত রোডমার্চ স্থগিত। রাজশাহীতে জনসভা যথা সময়ে হবে।

তিনি বলেন, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তফসিল ঘোষণা ও যেসব জেলার উপর দিয়ে রোডমার্চ যাবে সেখানকার নেতাকর্মীদের মামলা, গ্রেফতার হওয়ার বিষয়গুলোর কারণেই মূলত কালকের রোডমার্চ স্থগিত করেছি।

তিনি বলেন, ১৪ দলের সঙ্গে দুই দফা সংলাপে মূল বিষয়গুলোতে কোনো ফলাফল পাইনি, আবারও আলোচনার কথা বলেছি। দেখা যাক কী হয়?

এর আগে বুধবার দ্বিতীয় দফা সংলাপ শেষে বিকালে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা আন্দোলনের যাওয়া ঘোষণা দেন।

আজ সন্ধ্যায় ৭টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর ঐক্যফ্রন্টের নেতারা রাজপথে সক্রিয়তা বাড়াবেন।

পাশাপাশি ঐক্যফ্রন্টের নেতারা মনে করছেন, তফসিল ঘোষণার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। ফলে গ্রেফতার-মামলা-হয়রানি কম হবে বলে ভাবছে ফ্রন্টের নেতারা।

সংবাদটি 18 বার পঠিত
advertise