|

পঞ্চম বারের মত এমসি কলেজের ‘মোহনা’র সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

সুরমা ভিউ।।  গান, নৃত্য, ফ্যাশন শো আর নাটকের দ্বারা বর্ণীল আয়োজনে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উদযাপন করলো সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মোহনা’।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় এমসি কলেজের এই  সাংস্কৃতিক সংগঠনটি টানা পঞ্চম বারের মত এরকম মনোমুগ্ধকর আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

মোহনার শিল্পী শামসুদ্দিন শামস ও আন্নামা চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় সিলেট নগরীর কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- এমসি কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর নিতাই চন্দ্র চন্দ।

সংগঠনটির সভাপতি আজাদ মিয়ার সভাপতিত্বে, এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- এমসি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো: সালেহ আহমেদ, এমসি শিক্ষক পারিষদের সম্পাদক তোতিয়ুর রহমান, রাষ্টবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ও মোহনার উপদেষ্টা প্রফেসর শামীমা আক্তার চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সভাপতি  আমিনুল ইসলাম লিটন, সিলেট জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরন দাস গুপ্ত, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রজত কান্দি দে গুপ্ত, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও মোহনার উপদেষ্টা জামাল উদ্দিন, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও মোহনা উপদেষ্টা শাহনাজ বেগম প্রমুখ।

এছাড়া ও বর্ণীল আয়োজনের এই রোমাঞ্চকর মুহুর্থে মোহনার প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য ও সাবেক সভাপতি সহ এমসি কলেজের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থী  উপস্থিত ছিলেন।

দুই পর্বে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার প্রথম পর্বের অতিথি সুভাষণে অংশ নিয়ে সংস্কৃতি চর্চায় মোহনা এমসি কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে সিলেট অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এসময় তারা মোহনার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।এবং ভবিষ্যৎ তে সাফল্যের এই দ্বারা অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

এসময় মোহনা সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সিলেট সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান আমিনুল ইসলাম লিটন।

অতিথি সুভাষণের পর, অডিটোরিয়াম ভর্তি সংস্কৃতিপ্রেমীদের একক-দলীয় সংগীত, নৃত্যের পাশাপাশি কোরিয়োগ্রাফি, ফ্যাশন শো আর নাটকে মোহিত  করে রাখেন মোহনার শিল্পীরা।

উল্লেখ্য : ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ কলেজে ২০০৭ সালে ‘হৃদয়ের টানে মোহনা’ শ্লোগানে গড়ে উঠা এমসির এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতি বছর মাতৃভাষা দিবসে বর্ণমালার মিছিল, বসন্তবরণ উৎসব, নববর্ষ উদযাপন সহ বাঙ্গালী সংস্কৃতিকে ধারণ করে  নানামুখী সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম করে আসছে।

সংবাদটি 21 বার পঠিত
advertise