|

নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছ নগরীর কয়েকটি গুরুত্তপূর্ণ পয়েন্ট

মো:আবু জাবের,স্টাফ রিপোর্টার।।  সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীরপাড়স্হ পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে শহরতলি বাদাঘাটস্হ নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারে আজ থেকে শুরু হয়েছে বন্দি স্হানান্তর। এ উপলক্ষে পুরনো কারাগার থেকে নতুন কারাগারের যাওয়ার প্রতিটা পয়েন্টে পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এ কার্যক্রম চলবে আগামীকাল পর্যন্ত। ২২৯ বছর পর নতুন ঠিকানা পাচ্ছে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা। বন্দি স্হানান্তর কাজে নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ১০,১১ ও ১২ জানুয়ারি বন্দিদের সাথে সাক্ষাৎ না করার নির্দেশনা দিয়েছে জেল কতৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুসা বলেন, ‘বন্দিদের স্থানান্তরের জন্য সার্বিক নিরাপত্তা দিবে মহানগর পুলিশ। এই নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি আমরা।’

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গিয়েছে নগরীর জেলরোড পয়েন্ট,নয়াসড়ক পয়েন্ট,মীরবক্সটুলা,চৌহাট্টা,রিকাবী বাজার,পুলিশলাইন,সুবিদবাজার,পাঠানটুলা,মদিনামার্কেট,কালিবাড়ি রোড,নবাবী মসজিদ পয়েন্ট, শাবিপ্রবি গেইট,কুমারগাও বাসস্টেন্ড,তেমুখি পয়েন্ট সহ আশেপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।
এক পথচারী জানান শুক্রবারে এই রকম নিরাপত্তা খুবই কম দেখা যায়।আজকের নিরাপত্তা দেখে বুঝা যাচ্ছে এই রোডগুলোতে কিছু একটা হচ্ছে।

নবনির্মিত এই কারাগারে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ১০০ শয্যার পাঁচতলা বিশিষ্ট চারটি হাসপাতাল, স্কুল ও লাইব্রেরি ভবন ছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মকর্তাদের জন্য একশ ৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা গেছে, প্রায় দুই হাজার বন্দির ধারণ ক্ষমতার এই কারাগারে পুরুষ বন্দিদের জন্য ৬ তলা বিশিষ্ট ৪টি ভবন এবং নারী বন্দিদের জন্য দ্বিতল বিশিষ্ট দুইটি ও ৪ তলা একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। রান্নার কাজের জন্য এক তলা বিশিষ্ট ৫টি ভবন রয়েছে। স্টোর রুম বা খাবার মজুত রাখার জন্য ৪টি ভবন রয়েছে। কারাগারে দ্বিতল বিশিষ্ট রেস্ট হাউসও করা হয়েছে একটি। এছাড়া চার তলা বিশিষ্ট একটি ডে কেয়ার সেন্টার, মসজিদ, স্কুল ও লাইব্রেরি রয়েছে।

তাছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন, ক্যান্টিন, বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার কক্ষ এবং প্রশাসনিক কার্যালয় করা হয়েছে।

সংবাদটি 231 বার পঠিত
advertise