আদালতে ফারুক হত্যার লৌহমর্ষক বর্ণনা হুসনার

কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ
পাষন্ড স্ত্রী হুসনা, স্বামী ফারুক হত্যার লৌহমর্ষক বর্ণনা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সিলেটের কানাইঘাট চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দী রের্কড করা হয়। এ সময় ঘাতক হুসনা বলেন পরকীয়া প্রেমিক মোস্তফা সহ আরো দুই সহযোগী মিলে স্বামী ফারুক আহমদকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। মোস্তফার পরামর্শে প্রথমে ফারুককে কৌশলে ঘুমের ঔষধ খাইতে দেয় হুসনা। এর পরে গভীর রাতে মোস্তফা অপর দুই সহযোগীকে নিয়ে দরজায় কড়া নাড়লে হুসনা ঘরের দরজা খুলে দেয়। এর পর শুরু হয় অপারেশন। এ ভাবে আদালতে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে ঘাতক হুসনা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কানাইঘাট থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন স্বামী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে হোসনা বেগম। তিনি বলেন, মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তারকৃত হুসনা বেগমের ১০ দিনের পুলিশি রিমান্ড বিজ্ঞ আদালতে চাওয়া হয়েছে। দু’এক দিনের মধ্যে রিমান্ডের শুনানী হবে। তবে এ হক্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত হোসনা বেগমের পরকীয়া প্রেমিক মোস্তফা ও তার অপর দুই সহযোগিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে এসআই দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন। উল্লেখ্য গত ৫ মে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বাউরভাগ তৃতীয় খন্ড গ্রামের নুরপুরে মৃত মাহমুদ হোসেনের পুত্র প্রবাস ফিরত ফারুক আহমদ ৩ সন্তানের জননী হুসনার হাতে নির্মম ভাবে খুন হন।