কানাইঘাটে প্রেমিককে নিয়ে স্বামীকে জবাই জবানবন্দিতে স্বীকার করল স্ত্রী হোসনা

সাত্তার আজাদ:: সিলেটের কানাইঘাটে পরকীয়ার বাধা দেওয়ায় স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ফারুক আহমদকে জবাই করা হয়। পরে তার লাশ সেফটিক ট্যাংকে ঢুকিয়ে রাখা হয়। এমন নির্মম হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন স্ত্রী হোসনা বেগম (২৮)। ফারুক ও তার ঔরসে চার সন্তানও রয়েছে। ফারুক আহমদের (৩০) বাড়ি কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির বাউরভাগ ২য়খন্ড গ্রামে। তিনি মৃত মাহমুদ হোসেনের পুত্র।
সিলেটস্থ কানাইঘাট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হোসনা বেগম তার পরকীয়া প্রেমিক মোস্তফা (২৭) সহ আরও দুই সহযোগীকে নিযে স্বামী ফারুক আহমদকে কিভাবে হত্যা করেন তার লোমহর্ষক বর্ণনায় ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
জবানবন্দিতে বলেন, গত রোববার গভীর রাতে ফারুক আহমদ যখন তার নিজ বসত ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন, তখন স্ত্রী হোসনা বেগম, প্রেমিক মোস্তফা ও তাদের অপর দুই সহযোগী মিলে বসত ঘরের একটি কক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় ফারুককে খুন করার জন্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ী আঘাত শুরু করে। এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে তারা পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করে ফারুককে। হত্যা করার পর তার রক্তাক্ত লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে পাশর্^বর্তী গোরকপুর গ্রামের প্রবাসী মাসুক আহমদের বাড়ীর একটি সেফটি ট্যাংকিতে ফেলে রেখে হত্যাকারীরা মুখ ঢেকে রাখে।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় প্রেমিক মোস্তফা ও তার দুই সহযোগী পলাতক রয়েছে।