বাজেটে সংস্কৃতি খাতে বরাদ্ধ বাড়াতে সংস্কৃতিবান্ধব সরকারের প্রতি আহ্বান

সুরমা ভিউ।।  সিলেটের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম চালিকাশক্তি সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেট আয়োজিত জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতে অপ্রতুল বরাদ্ধের প্রতিবাদে সাংস্কৃতিক সমাবেশে বক্তারা বলেন বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে, একটি উন্নত বাংলাদেশের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সরকার কাজ করছে। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে সংস্কৃতিক চর্চার ক্ষেত্রে একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জঙ্গিবাদ এবং মৌলবাদের বিরুদ্ধে সংস্কৃতিকর্মীরা জনমত সৃষ্টিতে সরকারের নীতি ও আদর্শের প্রতি কাজ করেছেন। বক্তারা বলেন, জাতীয় বাজেটে দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের প্রত্যাশা ছিল মোট বাজেটের ১% সংস্কৃতির উন্নয়নে বরাদ্ধ থাকবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে সংস্কৃতির জন্য যে অর্থ বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত অপ্রতুল। তারা বলেন, একটি মানবিক ও সুন্দর সমাজ এবং বর্তমান সরকার যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তা বাস্তবায়ন সংস্কৃতি খাতে বরাদ্ধ করা খুবই জরুরী। বক্তারা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সংস্কৃতি খাতে জাতীয় বাজেটে বরাদ্ধ বৃদ্ধির দাবি জানান।
গতকাল ১৬ জুন রোববার বিকেল ৫টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে সাংস্কৃতিক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমেদ চৌধুরী মিশু। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্তের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সমাবেশে সংহতি জানান ও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবতোষ রায় বর্মণ রানা, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার বিভাগীয় সভাপতি অনিল কিষণ সিংহ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ব্যারিষ্টার মোঃ আরশ আলী, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক অরিন্দম দত্ত চন্দন, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাদ্দেস বাবুল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শামসুল আলম সেলিম, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী অরবিন্দু দাশগুপ্ত, উদীচি সিলেট’র সভাপতি এনায়েত হাসান মানিক, বিশিষ্ট তথ্য চিত্র নির্মাতা, নাট্যসংগঠক নিরঞ্জন দে যাদু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এনামুল মুনির, নজরুলসঙ্গীত শিল্পী সুকমল সেন, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী বিজয় দাস, সংস্কৃতিকর্মী ইন্দ্রানী সেন শম্পা, ইনভেটর সংগঠক প্রনব কান্তি দেব, কবি ও গবেষক সুমন কুমার দাস, ব্যান্ড এসোসিয়েশনের কার্তিক পাল, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সুপ্রিয় দেব শান্ত, অচিন্ত কুমার দে, ফারজানা সুমি, আবৃত্তিশিল্পী ও নাট্যকর্মী সৈয়দ সায়মুম আনজুম ইভান, আবু বক্কর আল আমিন প্রমুখ।