পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে প্রশংসিত হলেন মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার 

মোঃ তাজুদুর রহমান,মৌলভীবাজারঃ
পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম থেকেই সতর্ক ছিলো মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ । দালালরা যাতে চাকুরী প্রার্থীদের প্রতারিত করতে না পারে সে জন্য বিভিন্ন থানায় মাইকিংও করা হয়। অবশেষে অনিয়মের কোন অভিযোগ ছাড়াই মৌলভীবাজারে নিয়োগ পরীক্ষা সে সফলভাবে সম্পন্ন করেছে জেলা পুলিশ।বিগত দিনের নিয়োগ সহ গত নিয়োগেও স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত রাখলেন পুলিশ সুপার শাহজালাল।
যার ফলে পুলিশ সুপারকে নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মুখে এখন প্রশংসার ঝড়।
২৬ জুন মৌলভীবাজার পুলিশ লাইন্সে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী প্রায় সাড়ে ৩ হাজার প্রার্থীর মধ্যে থেকে শারীরিক মাপ ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই বাছাই শেষে ৯ শত ১৬ জন প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এর মধ্যে থেকে লিখিত পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয় ৩শত ১৫জনকে। এতে উত্তীর্ণ  হন ১শত ৩৬ জন। এরমধ্যে ৩৭জন নারী।
ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ চুড়ান্তভাবে যে সব সন্তানরা চাকরি পেলেন তাদের মধ্যে চা শ্রমিক ১৩জন,দিন মজুর ৬জন, পরিবহন শ্রমিক ২জন, হোটেল শ্রমিক ১জন, পিতৃহীন ১০জন, কৃষক ৪৩জন, প্রবাসী ১১জন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ১২জন, গ্রাম্য ডাক্তার ৩ জন, মুদি দোকানদার ২জন, পান দোকানদার ৩জন, রাজমিস্ত্রী ৩জন, কাঠ মিস্ত্রী ২জন, রিক্য্রা চালক ১জন, নাপিত ১জন, পুরোহিত ১জন, নাইট গার্ড ১জন, সরকারী চাকুরীজীবি ৬জন, বে-সরকারী চাকুরীজীবি ৪ জন, অবসরপ্রাপ্ত ৬জন, শিক্ষক ১জন ও কর্মহীন ৩জন।
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল বিপিএম, পিপিএম জানান,পরীক্ষার আগ থেকেই সতর্ক ছিলো জেলা পুলিশ যাতে করে দালালরা চাকুরি প্রার্থীদের প্রতারিত করতে না পারে সে জন্য বিভিন্ন জেলার সকল থানায় মাইকিংও করা হয়। অবশেষে অনিয়মের কোন অভিযোগ ছাড়াই মৌলভীবাজারে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে!
তিনি আরো জানান,গত ২৬ জুন মৌলভীবাজার পুলিশ লাইন্সে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী প্রায় সাড়ে ৩ হাজার প্রার্থীর মধ্য থেকে শারীরিক মাপ ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই বাছাই শেষে ৯ শত ১৬ জন প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এর মধ্য থেকে লিখিত পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয় ৩শত ১৫ জনকে। এতে উর্ত্তীণ হন ১শত ৩৬ জন। এরমধ্যে ৩৭জন নারী।তন্মধ্যে পুরুষ কোটায় সাধারণ ৮১,সাধারণ কোটা(নারী)৩৫জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা (পুরুষ) ১২জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা (নারী) ২জন, পুলিশ পোষ্য কোটা (পুরুষ) ৩ জন,ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী (পুরুষ) ১ জন, আনসার-ভিডিপি (পুরুষ)২ জন।এ প্রসঙ্গে মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল বিপিএম বলেন-শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচিতরা দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে পেশাদারিত্বের সহিত আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।